✨ WBBSE Class 5
📖 পাতাবাহার বাংলা
📌 ৮ম অধ্যায় সম্পূর্ণ নোটস
ছেলেবেলা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর : সম্পূর্ণ প্রশ্নোত্তর ও ব্যাকরণ সমাধান
বিষয়
বাংলা সাহিত্য
অধ্যায়
ছেলেবেলা (গদ্যাংশ)
লেখক
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
পাঠ্যপুস্তক
পাতাবাহার
📖 গদ্যাংশের পরিচিতি ও সারমর্ম
মূলভাব: ‘ছেলেবেলা’ পাঠ্যাংশটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত আত্মজীবনীমূলক স্মৃতিগ্রন্থ ‘ছেলেবেলা’ থেকে সংকলিত হয়েছে। এখানে ছোট্ট রবির বন্দিজীবনের মাঝে প্রকৃতির নিবিড় সান্নিধ্য এবং মুক্ত ছাদের রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার কথা অসাধারণ ভাষায় প্রকাশ পেয়েছে।
বালক রবির জীবনে প্রধান ছুটির দেশ ছিল বাড়ির বাইরের খোলা ছাদ। দুপুরবেলায় বড়োরা ঘুমিয়ে পড়লে তিনি লুকিয়ে ছাদে উঠে নির্জনতা উপভোগ করতেন। তপ্ত ছাদে পিতার তেতালার স্নানের ঘরটি ছিল তাঁর কাছে যেন এক মরুভূমির ওয়েসিস বা মরূদ্যান। বিকেল চারটের দেউড়ির ঘণ্টা বাজার সাথে সাথে ছুটির মধুর আনন্দ ফুরিয়ে যেত।
📚 গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ (Word Meanings)
| শব্দ |
অর্থ |
শব্দ |
অর্থ |
| চিলেকোঠা |
ছাদের উপরে সিঁড়ির ঘর |
বেলোয়ারি |
কাচের তৈরি ঝাড় বা জিনিস |
| পিলপেগাড়ি |
হাতিতে টানা গাড়ি |
কেতাব |
বই বা পুস্তিকা |
| ঝাঁকড়া |
উশকো-খুশকো বা ঘন চুল |
মরুভূমি |
শুষ্ক বালুকাময় জলহীন প্রান্তর |
| বিবাগি |
সংসারত্যাগী বা উদাসীন |
ওয়েসিস |
মরূদ্যান (মরুভূমির জলের স্থান) |
| খড়খড়ি |
জানলা-দরজার কাঠের পর্দা |
দেউড়ি |
বাড়ির সদর দরজা বা ফটক |
| জুড়িগাড়ি |
দুই ঘোড়ায় টানা বিশেষ গাড়ি |
সহিস |
ঘোড়ার দেখাশোনা করার লোক |
| চৌকিদার |
প্রহরী বা পাহারাদার |
গা মোড়া |
আড়মোড়া ভাঙা বা শরীর টানা |
১. ঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে বাক্যটি আবার লেখো
১.১ ‘চিলেকোঠা’ হলো _____ (কাঠের ঘর / তেতালার ঘর / ছাদের উপরে সিঁড়ির ঘর / বসবার ঘর)।
উত্তর: ‘চিলেকোঠা’ হলো ছাদের উপরে সিঁড়ির ঘর।
১.২ ভারতবর্ষের বিখ্যাত মরুভূমিটি হলো _____ (গোবি / সাহারা / থর)।
উত্তর: ভারতবর্ষের বিখ্যাত মরুভূমিটি হলো থর।
১.৩ লিভিংস্টন ছিলেন _____ (ইতালি / জার্মানি / ইংল্যান্ড / স্কটল্যান্ড) দেশের মানুষ।
উত্তর: লিভিংস্টন ছিলেন স্কটল্যান্ড দেশের মানুষ।
১.৪ জুড়িগাড়ি হলো _____ (ঘোড়ায় টানা / হাতিতে টানা / যন্ত্রচালিত / গরুতে টানা) গাড়ি।
উত্তর: জুড়িগাড়ি হলো ঘোড়ায় টানা গাড়ি।
২. ‘ক’ স্তম্ভের সঙ্গে ‘খ’ স্তম্ভ মেলাও
| ‘ক’ স্তম্ভ |
‘খ’ স্তম্ভ (সঠিক অর্থ) |
| কেতাব |
বই |
| মরুভূমি |
শুষ্ক জলহীন স্থান |
| ওয়েসিস |
মরূদ্যান |
| সহিস |
ঘোড়াকে দেখাশোনা করার লোক |
| চৌকিদার |
পাহারাদার |
৩. কোনটি বেমানান খুঁজে নিয়ে লেখো
৩ বেমানান শব্দ ও কারণ নির্দেশ:
৩.১ পুকুরের পাতিহাঁস, ঘাটে লোকজনের আনাগোনা, অর্ধেক পুকুর জোড়া বট গাছের ছায়া, জুড়িগাড়ির সহিস। ➔ কারণ: বাকিগুলি পুকুরপাড়ের প্রাকৃতিক দৃশ্য।
৩.২ তেতালা ঘর, সাত সমুদ্দুর, সেকেন্ড ক্লাস, পিলপেগাড়ি। ➔ কারণ: সাত সমুদ্দুর কাল্পনিক রূপকথা, বাকিগুলি বাস্তব দৃশ্য।
৩.৩ চুড়িওয়ালা, ফেরিওয়ালা, সহিস, বালক সন্ন্যাসী। ➔ কারণ: বাকিগুলি নির্দিষ্ট পেশা।
৩.৪ পিলপেগাড়ি, জুড়িগাড়ি, রিকশ, গাড়িবারান্দা। ➔ কারণ: বাকিগুলি যানবাহনের নাম।
৩.৫ চিল, রোদ্দুর, দুপুর, লোকবসতি। ➔ কারণ: বাকিগুলি নিস্তব্ধ দুপুরের নির্জন রূপ।
৪. পাঠ্যাংশ থেকে পাঁচটি ইংরেজি শব্দ
৪ পাঠ্যাংশে ব্যবহৃত ইংরেজি শব্দসমূহ:
উত্তর: সোফা, ক্লাস, রিকশ, ওয়েসিস, লিভিংস্টন।
৫. ‘ওয়ালা’ যোগ করে পাঁচটি নতুন শব্দ গঠন
৫ ‘ওয়ালা’ প্রত্যয়ান্ত শব্দসমূহ:
উত্তর: দুধওয়ালা, খবরেরকাগজওয়ালা, রিকশাওয়ালা, মুদিওয়ালা, ফলওয়ালা।
৬. শূন্যস্থান পূরণ করো
৬ পাঠ্যাংশ অনুযায়ী শূন্যস্থান পূরণ:
৬.১ রাঙা হয়ে আসত রোদ্দুর, চিল ডেকে যেত আকাশে।
৬.২ আমার জীবনে বাইরের খোলা ছাদ ছিল প্রধান ছুটির দেশ।
৬.৩ আমি তাকে যেন বাংলাদেশের শিশু লিভিংস্টন এইমাত্র খুঁজে বের করল।
৬.৪ এই ছাদের মরুভূমিতে তখন একটা ওয়েসিস দেখা দিয়েছিল।
৬.৫ নীচের দেউড়ির ঘণ্টায় বাজল চারটে।
৭. শব্দঝুড়ি থেকে বিশেষ্য ও বিশেষণ আলাদা করে লেখো
বেলোয়ারি, চুড়ি, মাদুর, ঝাঁকড়া, বিবাগি, গড়ন, দামি, নীল, গরম, ঘোলা, পুকুর, লোকজন
চুড়ি
মাদুর
গড়ন
পুকুর
লোকজন
বেলোয়ারি
ঝাঁকড়া
বিবাগি
দামি
নীল
গরম
ঘোলা
৮. ক্রিয়ার নীচে দাগ দাও
৮ বাক্যগুলি থেকে ক্রিয়াপদ চিহ্নিত করো:
৮.১ হঠাৎ তাদের হাঁক পৌঁছত।
৮.২ সেইখানে অত্যন্ত একলা হয়ে বসতুম।
৮.৩ হাত গলিয়ে ঘরের ছিটকিনি দিতুম খুলে।
৮.৪ ধারাজল পড়ত সকল গায়ে।
৮.৫ পুকুর থেকে পাতিহাঁসগুলো উঠে গিয়েছে।
৯. বাক্য রচনা করো
৯ অর্থপূর্ণ বাক্যে প্রয়োগ:
প্রধান: আমাদের বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহাশয় অত্যন্ত স্নেহশীল মানুষ।
দেশ: ভারতবর্ষ আমাদের জন্মভূমি, এই পুণ্যভূমি দেশকে আমরা ভালোবাসি।
বালিশ: আরামদায়ক ঘুমের জন্য নরম তুলোর বালিশ ব্যবহার করা ভালো।
মরুভূমি: রাজস্থানের থর মরুভূমিতে উটের পিঠে চড়ে ভ্রমণ করা এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা।
ধুলো: কালবৈশাখী ঝড়ে আকাশ ঢেকে গিয়ে চারদিকে লাল ধুলো উড়তে লাগল।
১০. ভিন্নার্থক শব্দ প্রয়োগ
১০ ‘গ্রহণ’ শব্দটিকে দুটি আলাদা অর্থে বাক্য রচনা করো:
গ্রহণ (নেওয়া / স্বীকার করা): শিক্ষক মহাশয় আমার নিবেদনটি সানন্দে গ্রহণ করলেন।
গ্রহণ (সূর্য বা চন্দ্রগ্রহণ): পূর্ণিমার রাতে আকাশে এক বিরল পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখা গেল।
১১. বিপরীতার্থক শব্দ লেখো
| মূল শব্দ |
বিপরীত শব্দ |
মূল শব্দ |
বিপরীত শব্দ |
| আড়াল |
সামনে / প্রকাশ্য |
গলি |
রাজপথ |
| চুপ |
সরব / চঞ্চল |
ফিকে |
গাঢ় |
| আনন্দ |
দুঃখ / নিরানন্দ |
— |
— |
১২. অর্থ লেখো
| শব্দ |
অর্থ |
| মূর্তি |
প্রতিমা, ভাস্কর্য বা পাথরের পুতুল |
| পিলপেগাড়ি |
হাতি দিয়ে টানা রাজকীয় গাড়ি |
| বিবাগি |
সংসারত্যাগী, বৈরাগী বা উদাসীন |
| নাগাল |
হাতের মুঠোয় বা সহজ আয়ত্তে পাওয়া |
| দেউড়ি |
বাড়ির প্রধান ফটক বা সদর দরজা |
১৩. প্রতিশব্দ লেখো
১৩ প্রতিটি শব্দের সমার্থক শব্দ:
পৃথিবী: ধরা, ধরিত্রী, বসুন্ধরা, অবনী।
পাহাড়: গিরি, পর্বত, ভূধর, শৈল।
আকাশ: গগন, নভঃ, আসমান, ব্যোম।
জল: বারি, সলিল, নীর, অম্বু।
গাছ: বৃক্ষ, তরু, পাদপ, মহীরুহ।
১৪. দুটি বাক্যে ভেঙে লেখো
১৪ জটিল বাক্য ভেঙে দুটি সরল বাক্যে রূপান্তর:
১৪.১ আমার পিতা যখন বাড়ি থাকতেন তাঁর জায়গা ছিল তেতালার ঘরে।
➔ আমার পিতা মাঝে মাঝে বাড়ি থাকতেন। তখন তাঁর জায়গা ছিল তেতালার ঘরে।
১৪.২ আমি লুকিয়ে ছাদে উঠতুম প্রায়ই দুপুর বেলায়।
➔ আমি ছাদে উঠতুম। প্রায়ই দুপুর বেলায় আমি লুকিয়ে উঠতুম।
১৪.৩ হঠাৎ তাদের হাঁক পৌঁছত, যেখানে বালিশের উপর খোলাচুল এলিয়ে দিয়ে শুয়ে থাকত বাড়ির বউ।
➔ বাড়ির বউ বালিশের উপর খোলাচুল এলিয়ে দিয়ে শুয়ে থাকত। সেখানে হঠাৎ তাদের হাঁক পৌঁছত।
১৪.৪ বিছানার একখানা চাদর নিয়ে গা মুছে সহজ মানুষ হয়ে বস্তুম।
➔ বিছানার একখানা চাদর নিতাম। তাই দিয়ে গা মুছে সহজ মানুষ হয়ে বস্তুম।
১৪.৫ গরম বাতাস হু হু করে ছুটে যাচ্ছে ধুলো উড়িয়ে।
➔ গরম বাতাস হু হু করে ছুটে যাচ্ছে। বাতাস চারিদিকে ধুলো উড়াচ্ছে।
১৫. লেখক পরিচিতি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর : ১৮৬১ – ১৯৪১)
১৫.১ কলকাতায় রবীন্দ্রনাথের বাড়িটি কী নামে বিশ্বজুড়ে পরিচিত?
উত্তর: কলকাতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পৈতৃক বাড়িটি ঐতিহাসিক ‘জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ি’ নামে বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
১৫.২ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছোটোদের জন্য লিখেছেন এমন দুটি বইয়ের নাম লেখো।
উত্তর: ছোটোদের জন্য লেখা তাঁর দুটি বিখ্যাত বই হলো— ‘শিশু’ এবং ‘সহজ পাঠ’ (এছাড়াও ‘খাপছাড়া’, ‘শিশু ভোলানাথ’)।
১৫.৩ ঠাকুরবাড়ি থেকে প্রকাশিত কোন দুটি পত্রিকায় তিনি নিয়মিত লিখতেন?
উত্তর: ঠাকুরবাড়ি থেকে প্রকাশিত বিখ্যাত ‘ভারতী’ ও ‘বালক’ পত্রিকায় তিনি নিয়মিত লিখতেন।
১৬. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো
১৬.১ বালক রবীন্দ্রনাথের প্রধান ছুটির দেশ কী ছিল?
উত্তর: বালক রবীন্দ্রনাথের জীবনে প্রধান ছুটির দেশ ছিল বাড়ির বাইরের খোলা ছাদ।
১৬.২ তাঁর বাড়ির নীচতলায় বারান্দায় বসে রেলিঙের ফাঁক দিয়ে কী কী দেখা যেত?
উত্তর: বাড়ির নীচতলার বারান্দায় বসে রেলিঙের ফাঁক দিয়ে রাস্তার লোকজনের নিত্য যাতায়াত, ফেরিওয়ালাদের হাঁকডাক এবং বিচিত্র পথচলতি দৃশ্য দেখা যেত।
১৬.৩ পাঠ্যাংশে ‘ওয়েসিস’ এর প্রসঙ্গ কীভাবে রয়েছে?
উত্তর: খাঁ খাঁ দুপুরের তপ্ত ছাদকে রবি মরুভূমির সাথে তুলনা করেছেন। সেই রুক্ষ তপ্ত ছাদের এক কোণে তাঁর পিতার তেতালার স্নানের ঘরটিতে যখন তিনি ঠান্ডা জলের ধারা পেতেন, তখন সেই স্নানঘরটিকে তিনি মরুভূমির বুকে স্নিগ্ধ ‘ওয়েসিস’ বা মরূদ্যান বলে মনে করতেন।
১৬.৪ পাঠ্যাংশে রবীন্দ্রনাথের পিতা সম্পর্কে কী জানতে পারো?
উত্তর: রবীন্দ্রনাথের পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর যখন বাড়ি থাকতেন, তখন তেতালার নির্জন ঘরে থাকতেন। তিনি ভোরবেলায় সূর্য ওঠার আগেই ছাদে গিয়ে সাদা পাথরের মূর্তির মতো ধ্যানমগ্ন হয়ে বসে প্রার্থনা করতেন এবং মাঝে মাঝেই দীর্ঘদিন হিমালয় পর্বতে ভ্রমণ করতে যেতেন।
১৬.৫ পিতার কলঘরের প্রতি ছোট্ট রবির আকর্ষণের কথা কীভাবে জানা গেল?
উত্তর: দুপুরবেলায় লুকিয়ে ছাদে গিয়ে বাবার কলঘরের ছিটকিনি খুলে গোপনে স্নান করা ছিল ছোট্ট রবির কাছে অত্যন্ত রোমাঞ্চকর। সেই অজানা জলধারা আবিষ্কারকে তিনি ভৌগোলিক আবিষ্কর্তা ডেভিড লিভিংস্টনের আফ্রিকা অভিযানের সাথে তুলনা করেছিলেন, যা কলঘরের প্রতি তাঁর তীব্র আকর্ষণের প্রমাণ দেয়।
১৬.৬ ছুটি শেষের দিকে এসে পৌঁছলে রবির মনের ভাব কেমন হতো?
উত্তর: বিকেল চারটেয় নীচের দেউড়ির ঘণ্টা বাজলে এবং রোদ্দুর ম্লান হয়ে আকাশের মুখ বিগড়ে এলে রবির মন বিষণ্ণতায় ভরে উঠত, কারণ ছাদের মুক্ত স্বাধীন জগতের ছুটির আনন্দ শেষ হয়ে আসত।
১৬.৭ পাঠ্যাংশে কাকে, কেন বাংলাদেশের ‘শিশু লিভিংস্টন’ বলা হয়েছে?
উত্তর: পাঠ্যাংশে বালক রবীন্দ্রনাথ নিজেকে ‘শিশু লিভিংস্টন’ বলেছেন। বিখ্যাত অভিযাত্রী ডেভিড লিভিংস্টন যেমন আফ্রিকার অজানা ভূখণ্ড আবিষ্কার করেছিলেন, ছোট্ট রবিও তেমনি দুপুরবেলায় সবার অলক্ষ্যে ছাদে গিয়ে বাবার নির্জন কলঘরটিকে যেন নতুন এক অজানা রাজ্য হিসেবে আবিষ্কার করেছিলেন।
১৬.৮ তোমার শৈশবের স্মৃতি ও চারপাশের প্রকৃতি সম্পর্কে লেখো
অভিজ্ঞতা ভিত্তিক উত্তর: আমি যখন ছোটো ছিলাম, তখন আমাদের বাড়ির সামনে বিশাল খেলার মাঠ আর সবুজ গাছপালায় ঘেরা মনোরম পরিবেশ ছিল। সকালবেলায় পাখির ডাকে ঘুম ভাঙত এবং দুপুরবেলায় ঠাকুমার কাছে বসে রূপকথার গল্প শুনতাম। বিকেলে বন্ধুদের সাথে মাঠে খেলায় মেতে উঠতাম। চারপাশের সেই মুক্ত সবুজ প্রকৃতি আমার শৈশবকে চিরস্মরণীয় করে রেখেছে।