✨ WBBSE Class 5
📖 পাতাবাহার বাংলা
📌 ৪র্থ অধ্যায় সম্পূর্ণ নোটস
এতোয়া মুন্ডার কাহিনী — মহাশ্বেতা দেবী : সম্পূর্ণ প্রশ্নোত্তর ও সমাধান
বিষয়
বাংলা সাহিত্য
অধ্যায়
এতোয়া মুন্ডার কাহিনী (গল্প)
লেখিকা
মহাশ্বেতা দেবী
পাঠ্যপুস্তক
পাতাবাহার
📖 গল্পের পরিচিতি ও সারমর্ম
মূলভাব: 'এতোয়া মুন্ডার কাহিনী' গল্পে লেখিকা মহাশ্বেতা দেবী এতোয়া নামের দশ বছরের এক দুরন্ত আদিবাসী মুন্ডা ছেলের জীবনসংগ্রাম ও প্রকৃতির প্রতি তার নিবিড় ভালোবাসার চিত্র এঁকেছেন। এতোয়ার জন্ম রবিবারে হওয়ায় তার এই নাম। সে গ্রামের জোতদার মোতিবাবুর গোরু-ছাগল চরায়।
এতোয়ার দাদু মঙ্গল মুন্ডা তাকে শোনায় মুন্ডাদের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস, বীরসা মুন্ডা ও সিধু-কানুর লড়াইয়ের কাহিনী। এতোয়া প্রাতিষ্ঠানিক স্কুলে না গেলেও উন্মুক্ত প্রকৃতিই তার প্রধান পাঠশালা। গোরু চরাতে চরাতে সে শুকনো কাঠ, মেটে আলু ও শাক কুড়োয় এবং ডুলং নদী পেরিয়ে সুবর্ণরেখার চরে বাঁশের জাল পেতে মাছ ধরে। আদিবাসী জীবনের সরলতা ও সংগ্রামী মনোভাব এই গল্পের মূল সুর।
📚 গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ (Word Meanings)
| শব্দ | অর্থ | শব্দ | অর্থ |
| পূর্বপুরুষ | বংশের আগেকার পূর্বসূরিরা | শুধাবার | জিজ্ঞাসা বা প্রশ্ন করবার |
| উৎখাত | সমূলে বিতাড়িত বা উচ্ছেদ | বাগাল | গোরু-ছাগল চড়ানোর রাখাল |
| হুল / উলগুলান | মুন্ডা বা সাঁওতাল বিদ্রোহ | পরোয়া | তোয়াক্কা বা গ্রাহ্য করা |
| গোলাঘর | শস্য মজুত রাখার ঘর | গুঞ্জন | মৌমাছি বা বাতাসের গুনগুন শব্দ |
১. ঠিক শব্দটি বেছে নিয়ে লেখো
১.১ গ্রামটার আদি নাম ছিল _____ (শালগাড়া / হাতিঘর / হাতিবাড়ি / শালগেড়িয়া)।
উত্তর: গ্রামটার আদি নাম ছিল শালগেড়িয়া।
১.২ মোতি বাবু ছিলেন গ্রামের _____ (আদিপুরুষ / ভগবান / জমিদার / মাস্টার)।
উত্তর: মোতি বাবু ছিলেন গ্রামের ভগবান। (বইতে লেখা: "মোতিবাবু হল গ্রামের ঠাকুর-দেবতা")
১.৩ 'এতোয়া' শব্দটির অর্থ _____ (রবিবার / সোমবার / বুধবার / ছুটির দিন)।
উত্তর: 'এতোয়া' শব্দটির অর্থ রবিবার।
১.৪ শূরবীর ছিলেন একজন _____ (সর্দার / আদিবাসী রাজা / বনজীবী / যাত্রাশিল্পী)।
উত্তর: শূরবীর ছিলেন একজন আদিবাসী রাজা।
১.৫ ডুলং, সুবর্ণরেখা নামগুলি _____ (পাহাড়ের / ঝর্নার / নদীর / গাছের)।
উত্তর: ডুলং, সুবর্ণরেখা নামগুলি নদীর।
২. উপযুক্ত শব্দ বসিয়ে বাক্যটি সম্পূর্ণ করো
২ পাঠ্য অংশ অনুযায়ী শূন্যস্থান পূরণ করো:
২.১ আর হাতিশালাটা ছিল পাথরের।
২.২ এতোয়ার দাদু বলে এক সময় এটা ছিল আদিবাসী গ্রাম।
২.৩ গাঁয়ের বুড়ো সর্দার মঙ্গল নাতিটার দিকে তাকায়।
২.৪ তবে জঙ্গল তো মা!
২.৫ প্রাইমারি স্কুলের চালাঘরের কোল দিয়ে পথ।
৩. অর্থ লেখো
| শব্দ | অর্থ |
| গর্জন | প্রবল শব্দ বা সিংহনাদ / হুংকার |
| বাগাল | গোরু-মোষ চড়ানোর রাখাল |
| গুঞ্জন | গুনগুন আওয়াজ বা মৃদু ধ্বনি |
| দুলন্ত | দুলছে এমন অবস্থা |
| গোড়া | গাছের মূল, তলদেশ বা ভিত্তি |
৪. বিপরীতার্থক শব্দ লেখো
| মূল শব্দ | বিপরীত শব্দ | মূল শব্দ | বিপরীত শব্দ |
| পূর্বপুরুষ | উত্তরপুরুষ | শুকনো | ভিজে / কাঁচা |
| আদি | অন্ত্য / শেষ | বিশ্বাস | অবিশ্বাস |
| কচি | পাকা / বুড়ো | — | — |
৫. সমার্থক শব্দ লেখো
৫ প্রতিটি শব্দের প্রতিশব্দ:
জল: বারি, সলিল, নীর, উদক।
নদী: তটিনী, স্রোতস্বিনী, প্রবাহিণী।
সমুদ্দুর: সাগর, সমুদ্র, পারাবার, সিন্ধু।
জঙ্গল: বন, অরণ্য, কানন, বিপিন।
উলগুলান: বিদ্রোহ, লড়াই, বিপ্লব।
৬. ক্রিয়াগুলির নীচে দাগ দাও
৬ বাক্যগুলি থেকে ক্রিয়াপদ চিহ্নিত করো:
৬.১ সাবু আর শাল গাছের পাঁচিল যেন পাহারা দিত গ্রামকে।
৬.২ এখন কেউ চাঁদ দিয়ে বছর হিসাব করে?
৬.৩ ছোটনাগপুর ছাড়লাম।
৬.৪ জঙ্গল নষ্ট করি নাই।
৬.৫ যে বাঁচায় তাকে কেউ মারে?
৭. দুটি বাক্যে ভেঙে লেখো
৭ জটিল বাক্য ভেঙে দুটি সরল বাক্যে রূপান্তর:
৭.১ গাঁয়ের বুড়ো সর্দার মঙ্গল নাতিটার দিকে তাকায়।
➔ গাঁয়ের বুড়ো সর্দার মঙ্গল। সে নাতিটার দিকে তাকায়।
৭.২ হাতিশালাটায় দেয়াল তুলে ওটা এখন ধান রাখবার গোলাঘর।
➔ হাতিশালাটায় দেয়াল তোলা হয়েছে। ওটা এখন ধান রাখবার গোলাঘর।
৭.৩ আমাদের কালে, সেই জঙ্গল দিয়ে চার মাইল যাও, তবে পাঠশালা।
➔ আমাদের কালে জঙ্গল দিয়ে চার মাইল যেতে হতো। তবে পাঠশালায় পৌঁছানো যেত।
৭.৪ এখন ও লাফায় আর নদীর জল, কাশবন, বুনোফুল, আকাশ, সকলকে ডেকে বলে, সে কী ভীষণ যুদ্ধ!
➔ এখন ও লাফায়। নদীর জল, কাশবন, বুনোফুল, আকাশ সকলকে ডেকে ও বলে, সে কী ভীষণ যুদ্ধ!
৭.৫ ডুলং ও সুবর্ণরেখাও হেসে চলে যায়, বয়ে যায়।
➔ ডুলং ও সুবর্ণরেখাও হেসে চলে যায়। তারা আপন মনে বয়ে যায়।
৮. বাক্য রচনা করো
৮ অর্থপূর্ণ বাক্যে প্রয়োগ:
পাঁচিল: নিরাপত্তার খাতিরে আমাদের বাগানের চারদিকে ইটের উঁচু পাঁচিল দেওয়া হয়েছে।
চাঁদ: পূর্ণিমার নির্মল রাতে আকাশে এক অপরূপ রূপোলি চাঁদ ওঠে।
দেশ: প্রতিটি নাগরিকেরই নিজের জন্মভূমি ও দেশকে ভালোবাসা কর্তব্য।
মানুষ: সৎ ও পরোপকারী চরিত্রই একজন আদর্শ মানুষের আসল পরিচয়।
জঙ্গল: শাল আর পিয়াল গাছে ঘেরা গভীর জঙ্গলটি দেখতে খুব সুন্দর লাগে।
৯. কোনটি কোন ধরনের বাক্য লেখো
| প্রদত্ত বাক্য | বাক্যের প্রকারভেদ |
| ৯.১ স্রোত কী জোরালো! | বিস্ময়বোধক বাক্য |
| ৯.২ কচি ছেলে, কিছুই জানে না। | নির্দেশক / বর্ণনাত্মক বাক্য |
| ৯.৩ সে যেন গেরুয়া জলের সমুদ্দুর। | নির্দেশক / বর্ণনাত্মক বাক্য |
| ৯.৪ নামটা বদলে গেল কেন গো? | প্রশ্নবোধক বাক্য |
| ৯.৫ কী যুদ্ধ, কী যুদ্ধ! | বিস্ময়বোধক বাক্য |
১০. কোনটি কোন শব্দ, ঝুড়ি থেকে বেছে নিয়ে আলাদা করে লেখো
(ঝুড়ির শব্দ: মস্ত, আমাদের, শিকার, তুই, সে, লড়াই, বুড়ো, ভীষণ, ছোট্ট, ও, চরায়, রাখে, ঝাঁকড়া, ধারালো, ওঠে, সরু।)
মস্ত, বুড়ো, ভীষণ, ছোট্ট, ঝাঁকড়া, ধারালো, সরু
১১. দুটি বাক্য জুড়ে একটি বাক্যে রূপান্তর
১১ বাক্য সংযোজন:
১১.১ কী গল্পই বললে আজ দাদু। সবাই শুনছিল গো! ➔ দাদু আজ এমন চমৎকার গল্প বললে যে সবাই শুনছিল গো!
১১.২ এতোয়া রে! ছেলে তুই বড্ড ভালো। ➔ এতোয়া রে, তুই বড্ড ভালো ছেলে।
১১.৩ তুই বড্ড বকিস এতোয়া। তোর বাপেরও এতো কথা শুধাবার সাহস হতো না। ➔ এতোয়া তুই বড্ড বকিস, তোর বাপেরও এতো কথা শুধাবার সাহস হতো না।
১১.৪ বাবুরা এল। আমাদের সব নিয়ে নিল। ➔ বাবুরা এসে আমাদের সমস্ত কিছু কেড়ে নিল।
১১.৫ আদিবাসী আসছে। মানুষ বাড়ছে। ➔ আদিবাসী আসায় এখানকার লোকসংখ্যা বাড়ছে।
১২. এলোমেলো বর্ণ সাজিয়ে অর্থপূর্ণ শব্দ তৈরি করো
| এলোমেলো বর্ণ | সঠিক অর্থপূর্ণ শব্দ |
| দিসী আবা | আদিবাসী |
| বখারের্ণসু | সুবর্ণরেখা |
| গাংড়ার দ | দরংগাড়া |
| টিড়া পোমা | পোড়ামাটি |
| যপুদিরু আ | আদিপুরুষ |
১৩. এলোমেলো শব্দ সাজিয়ে অর্থপূর্ণ বাক্য গঠন করো
১৩ সঠিক বাক্য বিন্যাস:
১৩.১ ছাগল কাজ গোরু ওর চরানো। ➔ ওর কাজ গোরু ছাগল চরানো।
১৩.২ তির শনশন তারা তখন ছোঁড়ে। ➔ তখন তারা শনশন করে তির ছোঁড়ে।
১৩.৩ আগে হাজার চাঁদ হাজার। ➔ হাজার হাজার চাঁদ আগে।
১৩.৪ ছিল পাথরের হাতিশালাটা আর। ➔ আর হাতিশালাটা ছিল পাথরের।
১৩.৫ সপ্তাহে হাট প্রতি বসে তো গ্রামে। ➔ গ্রামে তো প্রতি সপ্তাহে হাট বসে।
১৪. লেখিকা পরিচিতি (মহাশ্বেতা দেবী : ১৯২৬-২০১৬)
১৪.১ লেখালেখি ছাড়াও আর কী কী কাজ মহাশ্বেতা দেবী করেছেন?
উত্তর: সাহিত্যচর্চা ছাড়াও মহাশ্বেতা দেবী কলেজে অধ্যাপনা, সাংবাদিকতা এবং আদিবাসী সমাজের উন্নয়নের জন্য সমাজসেবামূলক কাজ করেছেন।
১৪.২ আদিবাসী জীবন নিয়ে লেখা তাঁর একটি বিখ্যাত বইয়ের নাম লেখো।
উত্তর: বীরসা মুন্ডার আন্দোলন ও আদিবাসী জীবনভিত্তিক তাঁর কালজয়ী উপন্যাস হলো 'অরণ্যের অধিকার'।
১৪.৩ ছোটোদের জন্য লেখা তাঁর একটি জনপ্রিয় বইয়ের নাম লেখো।
উত্তর: ছোটোদের জন্য লেখা তাঁর বিখ্যাত বই হলো 'গল্পের গরু ন্যাদোশ' (এছাড়াও 'এককড়ির সাধ', 'বাঘের শিকার')।
১৫. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো
১৫.১ "সেও এক ভীষণ যুদ্ধ"— কোন যুদ্ধের কথা এখানে বলা হয়েছে?
উত্তর: এখানে বীর বিপ্লবী বীরসা মুন্ডার নেতৃত্বে মুন্ডা আদিবাসীদের ইংরেজ শাসক ও অত্যাচারী মহাজনদের বিরুদ্ধে সংঘটিত রক্তক্ষয়ী 'উলগুলান' বা মুন্ডা বিদ্রোহের কথা বলা হয়েছে।
১৫.২ গাঁয়ের নাম হাতিঘর হলো কেন?
উত্তর: মোতিবাবুর পূর্বপুরুষেরা যখন শালগেড়িয়া গ্রামে মস্ত জমিদার ছিলেন, তখন তাঁদের মস্ত বড়ো পাথরের হাতিশালা ও বহু হাতি ছিল। সেই হাতিশালার স্মৃতি থেকেই পরবর্তীকালে গ্রামের নাম হয় 'হাতিঘর'।
১৫.৩ ভজন ভুক্তা এতোয়াকে কী বলত?
উত্তর: অন্ধ ভজন ভুক্তা স্নেহভরে এতোয়াকে বলত— "এতোয়া রে! ছেলে তুই বড্ড ভালো। ইস্কুলে যাস না এই বড় দুঃখ। ... যা, তুই ঘর যা বাছা! এখন আমি চলে যেতে পারব।"
১৫.৪ হাতিঘর গ্রামে কেমনভাবে যাবে সংক্ষেপে লেখো।
উত্তর: হাওড়া থেকে ট্রেনে খড়গপুর পৌঁছে বাসে চড়ে গুপ্তমণি মন্দিরের স্টপেজে নামতে হবে। সেখান থেকে রোহিণীর বাসে চেপে বা হেঁটে দক্ষিণ-পশ্চিমে সাত-আট মাইল এগিয়ে ছোট্ট নদীটি পার হতে হবে। এরপর রোহিণী গ্রাম ছাড়িয়ে ডুলং নদী পেরোলেই হাতিঘর গ্রামে পৌঁছানো যায়।
১৫.৫ এতোয়া নামটি কেন হয়েছিল?
উত্তর: আদিবাসী সমাজের প্রাচীন রীতি অনুযায়ী যে শিশু যে বারে জন্মায়, তার নাম সেই বার অনুসারেই রাখা হয়। রবিবারে জন্ম হয়েছিল বলে ছেলেটির নাম রাখা হয়েছিল 'এতোয়া' (এতোয়ার = রবিবার)।
১৫.৬ এতোয়ার রোজকার কাজের বর্ণনা দাও।
উত্তর: এতোয়া প্রতিদিন মোতিবাবুর গোরু-ছাগল মাঠে চরায়। গোরু চরাতে চরাতে সে দোকানির থেকে নেওয়া একটি ছেঁড়া বস্তায় টোকো আম, শুকনো কাঠ, মেটে আলু আর সুস্বাদু শাক কুড়িয়ে ভরে নেয়। দুপুরে ডুলং নদী পার হয়ে সুবর্ণরেখার চরে বাঁশের বোনা জাল পেতে মাছ ধরে।
১৫.৭ 'এখন গ্রামে ইস্কুল, তবু...'- বক্তা কে? আগে কী ছিল?
উত্তর: এই উক্তিটির বক্তা হলেন অন্ধ ভজন ভুক্তা। আগে গ্রামে কোনো স্কুল ছিল না; ঘন জঙ্গল পেরিয়ে চার মাইল দুর্গম পথ হেঁটে তবেই দূরে একটি পাঠশালা পাওয়া যেত।
১৬. বাঁদিকের শব্দের সঙ্গে মিলযুক্ত ডানদিকের শব্দ মেলাও
| বাঁদিক | ডানদিক (সম্পর্কিত শব্দ) |
| হাতি | শুঁড় |
| চাল | ধান |
| গ্রাম | পল্লি |
| চাঁদ | জ্যোৎস্না |
| পাতা | গাছ |
১৭. সংকেত অনুসরণ করে গল্প রচনা
আদিবাসী গ্রামের পরব ও আনন্দের ছুটি
নদীর পাড়ে রক্তিম সূর্য ধীরে ধীরে অস্ত গেল। দূর কোনো সাঁওতাল গ্রাম থেকে ভেসে আসছে মাদলের গুরুগম্ভীর মিষ্টি আওয়াজ। পরব এসে গেল! এখানে সব স্কুলেই ছুটির ঘণ্টা বেজে উঠেছে। এবারের পূজোর ছুটিতে আমরা বন্ধুরা মিলে ঠিক করলাম শহরে না থেকে নদীর ওপারের আদিবাসী গ্রামের সেই লোকপরব দেখতে যাব। নদী পেরিয়ে আমরা যখন গ্রামে পা রাখলাম, দেখলাম লাল মাটির উঠোনে সবাই আগুন ঘিরে পরম আনন্দে নাচগান করছে। গ্রামবাসীরা আমাদের আন্তরিক স্নেহে বরণ করে নিল এবং মহুয়া ফুলের গন্ধমাখা পরবের পরম আনন্দ আমাদের সাথে ভাগ করে নিল।