মায়াতরু (Mayataru) Class 5 Bengali Question Answer Notes PDF

মায়াতরু (Mayataru) Class 5 Bengali Question Answer Notes PDF
মায়াতরু (Mayataru) Class 5 Bengali Question Answer
✨ WBBSE Class 5 📖 পাতাবাহার বাংলা 📌 ১৪শ পাঠ সম্পূর্ণ নোটস

মায়াতরু — অশোকবিজয় রাহা : সম্পূর্ণ প্রশ্নোত্তর ও ব্যাকরণ সমাধান

বিষয় বাংলা সাহিত্য
অধ্যায় মায়াতরু (কবিতা)
কবি অশোকবিজয় রাহা
পাঠ্যপুস্তক পাতাবাহার
📖 কবিতার পরিচিতি ও সারমর্ম

মূলভাব: কবি অশোকবিজয় রাহার 'মায়াতরু' কবিতায় একটি অদ্ভুত ও অলৌকিক রূপধারী গাছের বিচিত্র রূপের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। গাছটি দিনের বিভিন্ন সময়ে এবং আলো-আঁধারি ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের সাথে সাথে তার বাহ্যিক রূপ বদলাত।

সন্ধ্যে নামলেই গাছটিকে মনে হতো দু-হাত তুলে ভূতের মতো নাচছে। রাতের আকাশে চাঁদ উঠলে সে যেন ঘাড় ফুলিয়ে গরগর করতে থাকা এক অতিকায় ভাল্লুকে পরিণত হতো। বৃষ্টি এলে গাছটি জ্বরের রোগীর মতো থরথর করে কাঁপত। বৃষ্টি শেষে আবার চাঁদ হাসলে দেখা যেত লক্ষ লক্ষ হীরার মাছ যেন মুকুট হয়ে আলো ছড়াচ্ছে। আর ভোরবেলার আবছায়া আলোয় গাছটির নিচে রূপালি আলোর ঝলমলে ঝালর পড়ে থাকত।

📚 গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ (Word Meanings)
শব্দঅর্থশব্দঅর্থ
মায়াতরুমায়াবী গাছ (যে ক্ষণে ক্ষণে রূপ বদলায়)ঝিলিকতীব্র অথচ ক্ষণস্থায়ী আলোর ঝলক
পশলাএকবারের বৃষ্টি বা বর্ষণকালআবছায়াঅস্পষ্ট ও ছায়াচ্ছন্ন রূপ
কম্পকাঁপুনি বা থরথর কম্পনঝালরঝুলন্ত ঝলমলে সাজসজ্জার ফিতে/পর্দা
ঝিকিরমিকিরঝিকিমিকি বা চকচকে আলোর দ্যুতিঅশরীরীদেহহীন প্রেতাত্মা বা ভূত
১. নিজের ভাষায় উত্তর দাও
১.১ অন্ধকারে দেখলে মানুষের মতো হাত নেড়ে ডাকছে মনে হয় এমন দুটি গাছের নাম লেখো।
উত্তর: আমার চেনা এমন দুটি গাছ হলো নারকেল গাছ এবং বট গাছ, রাতের আঁধারে যাদের ডালপালা দেখলে মনে হয় যেন মানুষের মতো হাত নেড়ে ইশারা করছে।
১.২ দুই বন্ধু ও ভাল্লুকের নীতিগল্পটি নিজের খাতায় লেখো।
দুই বন্ধু ও ভাল্লুকের কাহিনী: একবার দুই বন্ধু বনের পথ ধরে যাচ্ছিল। হঠাৎ তাদের সামনে এক বিশাল ভাল্লুক এসে পড়ে। প্রথম বন্ধুটি স্বার্থপরের মতো নিজেকে বাঁচাতে তরতর করে একটি গাছে উঠে গেল। দ্বিতীয় বন্ধুটি গাছে চড়তে জানত না; সে বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়ে মাটিতে মরার মতো নিঃশ্বাস বন্ধ করে শুয়ে রইল। ভাল্লুকটি তার কাছে এসে নাক-মুখ শুঁকে তাকে মৃত ভেবে ছেড়ে চলে গেল। ভাল্লুক চলে গেলে গাছে ওঠা বন্ধুটি নেমে এসে কৌতূহল ভরে জানতে চাইল— "ভাল্লুকটা তোর কানে কানে কী বলল রে?" দ্বিতীয় বন্ধুটি উত্তর দিল— "ভাল্লুকটা বলে গেল, বিপদের দিনে যে বন্ধু সাথীকে একা ফেলে পালায়, তাকে কখনো বিশ্বাস করতে নেই।"
১.৩ নানারকম রঙিন মাছ তুমি কোথায় দেখেছ?
উত্তর: আমি নানারকম রঙিন ও বিচিত্র মাছ অ্যাকোয়ারিয়ামে (Aquarium) এবং চিড়িয়াখানার জলজ বিভাগে দেখেছি।
১.৪ ভোরের আলো তোমার কেমন লাগে? তখন কোথায় যেতে ইচ্ছে করে?
উত্তর: ভোরের কোমল ও নির্মল মিষ্টি আলো আমার ভারী স্নিগ্ধ ও সতেজ লাগে। তখন আমার মুক্ত বাতাসের নদীর তীরে কিংবা দূর্বাঘাসে ঢাকা বিস্তীর্ণ খোলা মাঠে গিয়ে প্রাতঃভ্রমণ করতে ইচ্ছে করে।
১.৫ আলোয় এবং অন্ধকারে একই গাছের দুরকম চেহারা তোমার চোখে কীভাবে ধরা পড়ে?
উত্তর: দিনের উজ্জ্বল আলোয় গাছটিকে তার স্নিগ্ধ সবুজ পাতা ও ডালপালা নিয়ে অত্যন্ত সুন্দর ও মনোরম লাগে। কিন্তু রাতের গাঢ় অন্ধকারে সেই একই গাছটিকে এক বিশাল কালো অবয়বের মতো দেখায় এবং বাতাসে ডালপালা নড়লে মনে হয় যেন কোনো দৈত্য বা অশরীরী ভূত দু-হাত তুলে নাচছে।
২. 'ক' স্তম্ভের সঙ্গে 'খ' স্তম্ভ মেলাও
'ক' স্তম্ভ'খ' স্তম্ভ (সঠিক অর্থ / সমার্থক)
গাছবৃক্ষ
বনঅরণ্য
ভূতঅশরীরী
ঝালরপর্দা
কম্পকাঁপুনি
৩. কবিতা অবলম্বনে শূন্যস্থান পূরণ করো
কবিতার সঠিক শব্দ বসাও:
৩.১ এক যে ছিল গাছ
৩.২ বিষ্টি হলেই আসত আবার কম্প দিয়ে জ্বর
৩.৩ মুকুট হয়ে ঝাঁক বেঁধেছে লক্ষ হীরার মাছ
৩.৪ এক পশলার শেষে।
৩.৫ বনের মাথায় ঝিলিক মেরে চাঁদ উঠত যখন, ভালুক হয়ে ঘাড় ফুলিয়ে করত সে গরগর
৪. কবিতাটি অবলম্বনে একটি গল্প তৈরি করো

মায়াবী গাছের রূপকথার গল্প

এক নির্জন বনের ধারে ছিল এক আজব মায়াবী গাছ। সন্ধ্যে নামলেই সে দু-হাত তুলে ভূতের মতো নাচ শুরু করত। আবার রাতের আকাশে বনের মাথায় চাঁদ ঝিলিক দিয়ে উঠলে সে ঘাড় ফুলিয়ে থমথমে এক ভাল্লুক হয়ে গরগর শব্দ করত। এক পশলা বৃষ্টির পর যখন মেঘ কেটে চাঁদ দেখা দিত, তখন গাছটির মাথায় লক্ষ লক্ষ হীরার মাছ মুকুট হয়ে আলো ছড়াত। ভোরবেলার কুয়াশা ঢাকা আবছায়ায় কত যে বিচিত্র কাণ্ড ঘটত তা বলা মুশকিল। আর সকালের সোনালি রোদ ফুটতেই দেখা যেত গাছটির তলায় পড়ে রয়েছে রূপালি আলোর অপূর্ব এক ঝালর।

৫. শব্দের অর্থ লিখে বাক্য রচনা করো
অর্থসহ সার্থক বাক্যে প্রয়োগ:
ঝাঁক (দল / সমবেত রূপ): সন্ধ্যার আকাশে এক ঝাঁক বুনো হাঁস তাদের বাসার উদ্দেশ্যে উড়ে চলেছে।
ঝিলিক (আলোর চমক): বর্ষার কালো মেঘের বুক চিরে ক্ষণে ক্ষণে বিদ্যুতের ঝিলিক দেখা যাচ্ছে।
ঘাড় (গ্রীবা): বহুক্ষণ একনাগাড়ে নিচু হয়ে বই পড়ার ফলে আমার ঘাড় ব্যথা করছে।
মুকুট (শিরোভূষণ): প্রাচীনকালে রাজারা তাঁদের মাথায় মণিমুক্তো খচিত রাজমুকুট ধারণ করতেন।
ঝিকিরমিকির (ঝিকিমিকি আলো): চাঁদের রুপোলি আলো পড়ে শান্ত নদীর জল ঝিকিরমিকির করছে।
৬. পদের শ্রেণিবিভাগ (শব্দঝুড়ি)
বিশেষ্য
গাছ
কম্প
জ্বর
বিশেষণ
রূপালি
ঝিকিরমিকির
লক্ষ
সর্বনাম
যে
সে
অব্যয়
বা
ক্রিয়া
জুড়ত
তুলে
হয়ে
৭. বিপরীতার্থক শব্দ লেখো
মূল শব্দবিপরীত শব্দমূল শব্দবিপরীত শব্দ
সন্ধ্যেসকাল / প্রভাতহেসেকেঁদে
হঠাৎনিয়মিত / সর্বদাআলোঅন্ধকার / আঁধার
শেষেশুরুতে / প্রথমে
৮. সমার্থক শব্দ লেখো
প্রতিটি শব্দের প্রতিশব্দ:
গাছ: বৃক্ষ, তরু, পাদপ, মহীরুহ।
ভূত: অশরীরী, প্রেত, পিশাচ।
বন: অরণ্য, জঙ্গল, কানন, বিপিন।
বিষ্টি: বৃষ্টি, বর্ষণ, বারিধারা।
মাছ: মৎস্য, মীন।
চাঁদ: চন্দ্র, শশী, ইন্দু, বিধু।
৯. প্রতিটি বাক্য ভেঙে আলাদা দুটি বাক্যে রূপান্তর করো
জটিল বাক্য ভেঙে দুটি সরল বাক্য গঠন:
৯.১ এক যে ছিল গাছ, সন্ধে হলেই দুহাত তুলে জুড়ত ভূতের নাচ।
এক যে ছিল গাছ। সন্ধে হলেই সে দুহাত তুলে ভূতের নাচ জুড়ত।
৯.২ বিষ্টি হলেই আসত আবার কম্প দিয়ে জ্বর।
বিষ্টি হতো। তখন আবার কম্প দিয়ে জ্বর আসত।
৯.৩ সকাল হল যেই, একটিও মাছ নেই।
সকাল হলো। তখন একটিও মাছ নেই।
৯.৪ মুকুট হয়ে ঝাঁক বেঁধেছে লক্ষ হীরার মাছ।
গাছটিতে মুকুট তৈরি হয়েছে। সেখানে লক্ষ হীরার মাছ ঝাঁক বেঁধেছে।
৯.৫ ভালুক হয়ে ঘাড় ফুলিয়ে করত সে গরগর।
সে ভালুক হতো। ঘাড় ফুলিয়ে সে গরগর করত।
১০. এলোমেলো বর্ণ সাজিয়ে অর্থপূর্ণ শব্দ তৈরি করো
এলোমেলো বর্ণসঠিক অর্থপূর্ণ শব্দ
র গ র গগরগর
ট কু মুমুকুট
ব আ যা ছাআবছায়া
র কি মি ঝি র কিঝিকিরমিকির
র বে ভো লাভোরবেলা
১১. কবি পরিচিতি (অশোকবিজয় রাহা : ১৯১০ – ১৯৯০)
১১.১ কবি অশোকবিজয় রাহার দুটি বিখ্যাত বইয়ের নাম লেখো।
উত্তর: কবি অশোকবিজয় রাহার দুটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলো— 'ভানুমতীর মাঠ' এবং 'রুদ্রবসন্ত' (এছাড়াও 'জলডম্বুর পাহাড়')।
১১.২ তাঁর কবিতা রচনার প্রধান বৈশিষ্ট্য ও বিষয় কী ছিল?
উত্তর: তাঁর কাব্যের মূল উপজীব্য বিষয় ছিল নদী, পাহাড় ও অরণ্যঘেরা রহস্যময় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য
১১.৩ 'মায়াতরু' কবিতাটি তাঁর কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
উত্তর: 'মায়াতরু' কবিতাটি কবির বিখ্যাত 'ভানুমতীর মাঠ' কাব্যগ্রন্থ থেকে গৃহীত হয়েছে।
১২. দিনের সময়ের সাথে রূপ পরিবর্তনের সারণি
কবিতার চরণ / রূপের বর্ণনাদিনের সময়কাল
দুহাত তুলে জুড়ত ভূতের নাচসন্ধ্যেবেলায়
ভালুক হয়ে ঘাড় ফুলিয়ে করত যে গরগররাতের বেলায় (চাঁদ উঠলে)
ঝাঁক বেঁধেছে লক্ষ হীরার মাছবৃষ্টি শেষে রাতে (চাঁদ উঠলে)
পড়ে আছে ঝিকিরমিকির আলোর রূপালি এক ঝালরসকালবেলায় (সূর্য উঠলে)
১৩. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো
১৩.১ 'মায়াতরু' শব্দের অর্থ কী? কবিতায় গাছকে 'মায়াতরু' বলা হয়েছে কেন?
উত্তর: 'মায়াতরু' শব্দের অর্থ হলো মায়াবী বা অলৌকিক গাছ
কবিতায় গাছটিকে 'মায়াতরু' বলা হয়েছে কারণ এটি পরিবেশ ও আলোর পরিবর্তনের সাথে সাথে ক্ষণে ক্ষণে নিজের রূপ বদলাত। কখনো তাকে ভূতের মতো নাচতে দেখা যেত, কখনো সে ঘাড় ফোলানো ভাল্লুকের রূপ নিত, বৃষ্টির পর সে হীরার মাছের মুকুট পরত এবং সকাল হলে তার নিচে পড়ে থাকত রূপালি আলোর ঝালর।
১৩.২ শব্দের শুরুতে 'মায়া' যোগ করে পাঁচটি নতুন শব্দ তৈরি করো:
উত্তর: মায়াজাল, মায়াকানন, মায়াবী, মায়ামৃগ, মায়াময় (বা মায়াদয়া)।
১৩.৩ ভূত আর গাছের প্রসঙ্গ রয়েছে এমন একটি গল্প লেখো:
উদাহরণ: নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের 'তেনিদা আর ব্রহ্মদৈত্য' গল্পে এমন প্রসঙ্গ রয়েছে। সেখানে নির্জন মাঠের ধারের এক প্রকাণ্ড প্রাচীন বটগাছে ব্রহ্মদৈত্য ভূত থাকে বলে সবাই জানত। একবার রাতে সেই গাছের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তেনিদারা গাছের ওপর থেকে অদ্ভুত শব্দ শুনতে পেয়ে ভয়ে দৌড় দিয়েছিল।
১৩.৪ দিনের বিভিন্ন সময়ে কবি গাছকে কোন কোন রূপে প্রত্যক্ষ করেছেন?
১. সন্ধ্যেবেলায়: দু-হাত তুলে ভূতের মতো উদ্দাম নাচতে থাকা রূপে।
২. রাতে চাঁদ উঠলে: ঘাড় ফুলিয়ে গরগর করতে থাকা অতিকায় ভাল্লুকের রূপে।
৩. বৃষ্টি নামলে: প্রবল শীতে কম্প দিয়ে জ্বর আসা রোগীর রূপে।
৪. বৃষ্টি শেষে রাতে: লক্ষ লক্ষ হীরার মাছের মুকুট পরা উজ্জ্বল জ্যোতির্ময় রূপে।
৫. সকালবেলায়: চারদিকে ঝিকিমিকি আলোর রূপালি ঝালর বিছিয়ে রাখা শান্ত স্নিগ্ধ রূপে।
১৪. তোমার কল্পনার একটি গাছ সম্পর্কে পাঁচটি বাক্য লেখো
১৪ একটি রহস্যময় বটগাছ সম্পর্কে বর্ণনা:
১. আমাদের গ্রামের শেষপ্রান্তে পুকুরের পাড়ে একটি শতবর্ষ প্রাচীন বিশাল বটগাছ রয়েছে।
২. গাছটির ডালপালা থেকে মাটি পর্যন্ত নেমে আসা লম্বা লম্বা ঝুরিগুলো দেখতে অদ্ভুত লাগে।
৩. দুপুরবেলায় তার শীতল ও নিবিড় ছায়ায় রাখাল ও ক্লান্ত পথচারীরা পরম শান্তিতে বিশ্রাম নেয়।
৪. পড়ন্ত বিকেলে শত শত পাখির কলকাকলিতে গাছটি যেন এক সংগীতময় রূপ ধারণ করে।
৫. কিন্তু অমাবস্যার গভীর রাতে বাতাসের শব্দে গাছটির দুলুনি দেখলে মনে হয় কোনো প্রাচীন দৈত্য অতন্দ্র প্রহরীর মতো দাঁড়িয়ে আছে।

সম্পূর্ণ নোটসের প্রিন্টেবল PDF পেতে চান?

ক্লিক করলেই প্রথম পেজে আকর্ষণীয় কভার পেজসহ সম্পূর্ণ নোটসের অফলাইন PDF প্রিন্ট রেডি হয়ে যাবে।

❓ সচরাচর জিজ্ঞাস্য (FAQ)
Q1. 'মায়াতরু' কবিতাটি কার লেখা?
কবিতাটি বিশিষ্ট প্রকৃতিপ্রেমী কবি অশোকবিজয় রাহা-র লেখা।
Q2. গাছটিকে 'মায়াতরু' বলা হয়েছে কেন?
গাছটি দিনের বিভিন্ন প্রহরে আলোর তারতম্যে ভূত, ভাল্লুক, হীরার মুকুট ও রূপালি ঝালরের মতো ক্ষণে ক্ষণে নিজের রূপ বদলাত বলে তাকে 'মায়াতরু' বলা হয়েছে।
Q3. সন্ধ্যেবেলায় মায়াতরু কী করত?
সন্ধ্যেবেলায় মায়াতরু দু-হাত তুলে ভূতের মতো নাচ শুরু করত।

About the author

Bitan Mondal
Hello, I’m Bitan, the founder and creator of Bitan Academy, an independent educational platform focused on providing reliable, practical, and easy-to-understand information. Through Bitan Academy, I create informative content covering education, te…

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন